Wellcome to National Portal
বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৪ জানুয়ারি ২০২২

বিনামুগ-১১

 

জাতের নামঃ

বিনামুগ-১১

জাতের বৈশিষ্ট্যঃ

উচ্চতা ৪৪-৪৮ সে.মি., জীবনকাল ৬৩-৬৫ দিন, ৮৫-৯০% ফল একই সঙ্গে পাকে, বীজের আকার বড় (১০০০ বীজের ওজন ৪২.৯৩ গ্রাম), বীজের রং সবুজ, পাতা গাঢ় সবুজ বর্ণের, বীজে আমিষের পরিমান ২২.৪%, হলুদ মোজাইক ভাইরাস ও সার্কোস্পোরা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন, খরা এবং উচ্চ তাপমাত্রা সহনশীল।

জমি মাটিঃ

বেলে দো-আঁশ ও দো-আঁশ মাটিতে এ জাত বপনে অধিক ফলন পাওয়া যায়। বৃষ্টি বা অন্য কোন কারণে জমিতে পানি জমে গেলে দ্রুত নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করতে হয়।

জমি তৈরীঃ

তিন-চারটি চাষ ও মই দিয়ে জমি তৈরী করে বীজ বপন করতে হয়।

বপণের সময়ঃ

অঞ্চলভেদে বপনের সময়ের তারতম্য রয়েছে। বরিশাল বিভাগের জেলাসমূহে জানুয়ারীর তৃতীয় সপ্তাহ থেকে ফেব্রুয়ারীর দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে বীজ বপন সম্পন্ন করতে হবে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলে মার্চ এর প্রথম সপ্তাহ থেকে শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত বীজ বপন সম্পন্ন করতে হবে। বিলম্বে বপন করলে ফলন হ্রাস পায়।

বীজ হারঃ

হেক্টর প্রতি ৩০ কেজি (একর প্রতি ১২ কেজি) বীজ ছিটিয়ে/লাইনে বপন করতে হয়। লাইন থেকে লাইনের দূরত্ব ১২ ইঞ্চি এবং গাছ থেকে গাছের দূরত্ব ২-৩ ইঞ্চি রাখতে হবে।

বীজ শোধনঃ

বপনের পূর্বে প্রতি কেজি বীজ ৩.০ গ্রাম ভিটাভেক্স-২০০/প্রোভ্যাক্স/বেভিষ্টিন ৫০ ডব্লিউপি দ্বারা শোধন করলে রোগের আক্রমণ কম হয়।

সার ও প্রয়োগ পদ্ধতিঃ

সারের নাম

হেক্টর প্রতি  (কেজি)

একর প্রতি  (কেজি)

ইউরিয়া

৩০

১২

টিএসপি

৭০

২৮

এমওপি

৩৫

১৪

জীবাণুসার (ইউরিয়ার পরিবর্তে)

১.৫

০.৬

জীবাণুসার ব্যবহার করলে ইউরিয়া প্রয়োগের প্রয়োজন নেই। এছাড়া উর্বর জমি হলে ইউরিয়া সার প্রয়োগ করা যাবে না।

প্রয়োগের নিয়মঃ

দু’টি চাষ দেয়ার পর নির্ধারিত পরিমান ইউরিয়া, টিএসপি এবং এমপি সার ছিটিয়ে পূনরায় চাষ এবং মই দিতে হয়। জমি তৈরীর শেষে চাষের আগে সম্পূর্ণ সার জমিতে  সমভাবে ছিটিয়ে চাষের মাধ্যমে মাটির সাথে ভালভাবে  মিশিয়ে দিতে হবে। জমির উর্বরতা ও ফসলের অবস্থার উপর নির্ভর করে সার প্রয়োগ মাত্রার তারতম্য করা যেতে পারে।

সেচ ও নিস্কাশনঃ

গ্রীস্মকালীন মুগ বপনের সময় জমি শুস্ক হলে সেচ প্রয়োগ করে জমিতে জো আসার পর চাষ দিয়ে বীজ বপন করতে হয়। বীজ বপনের পর জমি শুস্ক হলে ২০-২৫ দিন পর আরও একটি সেচ দিতে হয়। জমিতে পরিমিত রস থাকলে সেচ দেয়ার প্রয়োজন হয় না।

আগাছা দমনঃ

চারা গজানোর পর জমিতে আগাছা দেখা দিলে ১৫-২০ দিনের মধ্যে নিড়ানী দিয়ে হালকাভাবে আগাছাগুলো পরিস্কার করে ফেলতে হয়। এতে ভাল ফলন পাওয়া যায়।

বালাই ব্যবস্থাপনাঃ

বিনামুগ-১১ হলুদ মোজাইক ভাইরাস রোগ সহ্য ক্ষমতা সম্পন্ন। সাধারনত: কোন ছত্রাকনাশক ব্যবহারের প্রয়োজন হয় না। তবে ছত্রাকজনিত রোগের বেশী আক্রমণ হলে ডায়াথেন এম-৪৫ বা অন্য কোন উপযুক্ত ছত্রাকনাশক ফসলী জমিতে স্প্রে আকারে প্রয়োগ করা যেতে পারে। পোকামাকড়ের আক্রমণ হলে ডায়াজিনন বা ম্যালাথিয়ন-৫৭ ইসি ইত্যাদি কীটনাশক মাত্রা অনুযায়ী স্প্রে করলে সুফল পাওয়া যায়।

ফলনঃ

গড় ফলন ১.৯ টন/হেক্টর।

 

 

প্রয়োজনে সংশ্লষ্টি ফসল বিশেষজ্ঞ সাথে কথা বলুন

 (সকাল ৯ টা-বিকাল ৫টা)

কলকরুনঃ +৮৮০১৭১০৮৭৯৮১৩

ই-মইেলঃ islamtariqul05@yahoo.com

দায়িত্বপ্রাপ্ত র্কমর্কতার নাম ও পদবী

ড. মো. তারিকুল ইসলাম

প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা

ক্রপ ফিজিলজি বিভাগ, বিনা, ময়মনসিংহ-২২০২

 

 

 


Share with :

Facebook Facebook